বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও উন্নয়নমুখী করতে ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। সদ্য গঠিত এই পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান-কে।সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনের মূল বিষয়বস্তু ও নতুন কমিটিপ্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে ট্রাস্টের সার্বিক গতিশীলতা ফেরাতে প্রতিমন্ত্রী, চারজন সংসদ সদস্য (এমপি) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যুক্ত করা হয়েছে।কমিটিতে স্থান পাওয়া এমপি ও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা হলেন:সভাপতি: আহমেদ আযম খান (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী)সদস্য: ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য)সদস্য: মো. ফজলুর রহমান (সংসদ সদস্য, কিশোরগঞ্জ-৪)সদস্য: মো. মনিরুল হক চৌধুরী (সংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৬)সদস্য: জয়নুল আবদিন ফারুক (সংসদ সদস্য, নোয়াখালী-২)পুনর্গঠিত কমিটির কার্যপরিধি ও দায়িত্বজারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটি প্রধানত ট্রাস্ট আইন, বিধিমালা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের অর্পিত সকল দায়িত্ব ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে।কমিটির প্রধান কাজসমূহ:ট্রাস্টের সার্বিক কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা।ট্রাস্টের অধীনস্থ বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।চলমান সকল প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও সঠিক হিসাব নিরীক্ষা করা।ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা।정부 বা সরকারের প্রত্যাশা, নতুন এই শক্তিশালী নির্বাহী কমিটির দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণমূলক সেবাসমূহ আরও কার্যকর ও গতিশীল হয়ে উঠবে।
