স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের রাজনৈতিক দাপট ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে পদ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর বিরুদ্ধে।অনুসন্ধানে দেখা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই উক্ত ওসি বগুড়া সিন্ডিকেটের ভয় দেখিয়ে থানায় একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি, প্রতারণা ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাশাপাশি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অমান্য ও তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করে আসছেন।পুলিশ প্রশাসনে নতুন আঞ্চলিক সিন্ডিকেটের শঙ্কাসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে পুলিশ বাহিনীর ভেতরে বিভিন্ন আঞ্চলিক গ্রুপ বা সিন্ডিকেট তৈরি হতে দেখা গেছে। ঠিক একইভাবে বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের ছত্রছায়ায় পল্লবী থানাকে কেন্দ্র করে একটি নতুন ‘বগুড়া সিন্ডিকেট’ গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। এর ফলে সাধারণ প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বাহিনীর অভ্যন্তরীণ পেশাদারিত্ব মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।উপযুক্ত তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার দাবিপল্লবী এলাকার বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা জানান, এই ধরনের স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের কারণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ঐতিহ্য ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং পুলিশ বিভাগের শৃঙ্খলা রক্ষায় অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ। একই সাথে অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার অনৈতিক লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রধান উপদেষ্টা এবং মহাপুলিশ পরিদর্শকের (আইজিপি) আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
