প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের গুঞ্জন উঠেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন ও কৃষিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ আসতে পারে বলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি মন্ত্রিসভার আকার আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক বিষয়। তবে কখন এবং কী ধরনের পরিবর্তন হবে, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য রদবদলে কয়েকজন অভিজ্ঞ নেতা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টামণ্ডলীতে যুক্ত হতে পারেন। একই সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার মুখে থাকা বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে অন্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহাদী আমিনকে শিক্ষার দায়িত্ব দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। বিভিন্ন ইস্যুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। এ পরিস্থিতিতে তাকে অন্য মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। সেক্ষেত্রে বর্তমান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও কাজের ধীরগতি কাটিয়ে উঠতে সরকার মন্ত্রিসভায় নতুন উদ্যম আনতে চায়। ফলে রদবদলের মাধ্যমে অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি কয়েকজন তরুণ মুখও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন।
