চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বেশ কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। অনেক এলাকায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সময় লাগবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর কিছু এলাকায় পানি কমতে শুরু করলেও ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো পানি রয়েছে। নলকূপ ডুবে থাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট অব্যাহত আছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করতে ব্যস্ত সময় পার করছে।কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু ও সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকাতেও পানি নামতে শুরু করেছে। তবে নিচু এলাকায় এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে। অনেক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও উন্নতির দিকে যেতে পারে। তবে সিলেট বিভাগের কিছু নিম্নাঞ্চলে পরিস্থিতি বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করবে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্যমতে, সাত জেলায় বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন এবং পানিবন্দি রয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবারের সদস্যরা। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান থাকলেও অনেক দুর্গম এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছেনি।
