সম্প্রতি পুলিশের ১৫ ও ১৭ ব্যাচের একাধিক মেধাবী কর্মকর্তার পদোন্নতি আটকে দেওয়ার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে—এমন অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত পদে নিজেদের অনুগত ব্যক্তিদের বসিয়ে পতিত স্বৈরাচারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতামতনিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে যারা পুলিশ বাহিনীর পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে এভাবে ঢালাও অভিযোগ তোলা হলে পুলিশ সংস্কার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। তারা মনে করেন, এখনই যদি এসব ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা প্রতিহত করা না যায়, তাহলে প্রশাসনে আবারও দলীয়করণের পুরোনো ভূত চেপে বসার আশঙ্কা রয়েছে।জনমনে ওঠা প্রশ্নসাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—যেসব কর্মকর্তা বিগত ১৫ বছর ধরে রাজনৈতিকভাবে নিগৃহীত ছিলেন এবং প্রকাশ্যে স্বৈরাচারবিরোধী অবস্থানে অনড় থেকেছেন, তাদের বিরুদ্ধেই হঠাৎ করে কেন দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে?অনেকের আশঙ্কা, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যেন কোনো বিশেষ মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয়। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, নাগরিক সমাজ ও সচেতন মহলকে ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করে সতর্ক ও সক্রিয় থাকতে হবে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
