চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পরীক্ষিত কর্মী এবং বর্তমানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী-এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার গভীর উদ্বেগ ও দুঃখের বিষয়।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের মৌলিক অধিকারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছেন। রাজনৈতিক আদর্শ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অটল থাকার কারণে অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলে তাঁকে নানা ধরনের বৈষম্য, বঞ্চনা ও পেশাগত প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।একজন মেধাবী, দক্ষ ও সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ সময় পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত ছিলেন। কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য একটি সময় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা, সাহসিকতা এবং পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।বর্তমানে তিনি সততা, দক্ষতা, মানবিকতা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসেবায় তাঁর নিষ্ঠাবান ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত। ঠিক এমন সময়ে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দায়িত্বজ্ঞানহীন।ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার কখনো সত্যকে পরাজিত করতে পারে না। সত্য, সততা ও কর্মই শেষ পর্যন্ত মানুষের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে। তাই আমরা এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং সকলকে আহ্বান জানাই—গুজব, বিভ্রান্তি ও অপতথ্যের ওপর নয়; বরং যাচাইকৃত তথ্য, সত্য এবং বাস্তবতার ভিত্তিতে বিষয়গুলো মূল্যায়ন করুন।সত্যের পক্ষে, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে—এটাই হোক আমাদের সম্মিলিত অবস্থান।
