রাজধানীর দক্ষিণখানের তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার হওয়া উবার চালক মো. লোকমান সরদারের (৩৮) বস্তাবন্দি মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রাইভেট কার ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলে তাকে ডেকে এনে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য মো. এস এম সালমানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর। অন্য গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. আদিব ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস মীম (আর্নবা মীম) ও মো. সবুজ মিয়া। তাদের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ছিনতাই হওয়া প্রাইভেট কারটি গাজীপুরের গাছা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।শনিবার (৬ জুন) আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, গত ১ জুন তুরাগ নদী থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।তদন্তে জানা যায়, লোকমান সরদারকে টঙ্গীর পাখির বাজার এলাকায় হত্যা করে মরদেহ তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ হানিট্র্যাপ চক্র জড়িত ছিল। এ ঘটনায় মূল আসামি সালমান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
