৭৫℅ওয়ারেন্ট তামিল করে এএসআই। মাদকের ম্যাক্সিমাম তথ্য কালেক্ট করে এএসআইরা। থানায় যত প্রকার নোটিশ জারি করে এএসআইরা। শুধুমাত্র মামলা তদন্ত করতে পারে না। এই মামলা তদন্তের দোহাই দিয়ে যত প্রকার দৌড়ঝাপ এর কাজ এএসআইদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। অথচ এই এএসআইদের কোন প্রকার এক্সট্রা কোন আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয় না। তাহলে এই সমস্ত কাজ করতে যে পরিমাণ খরচ হয় সেটা কোথা থেকে আসবে। সুতরাং মাঠ পর্যায়ে এস আই এবং এ এস আই উভয়ের সুবিধা অসুবিধা দেখতে হবে।একটা থানায় ৭৫% ওয়ারেন্ট তামিল করেন সহকারী উপ পুলিশ পরিদর্শক এএসআই।সব ইনফরমেশন থেকে কালেক্ট করে একটা নিউজ লিখে দাও শিরোনাম সহএখানে আপনার দেওয়া ছবি এবং তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি গোছানো ও পেশাদার নিউজ রিপোর্ট তৈরি করা হলো:মাঠ পর্যায়ের আসল নায়ক এএসআই ও এসআইরা: বৈষম্য দূর করার আহ্বানঢাকা, ২২ মে ২০২৬: থানা পুলিশের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও মাঠ পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তারা। সম্প্রতি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের এক সভায় মাঠ পর্যায়ের এই কর্মকর্তাদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।এক বিবৃতিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মাহবুব স্যার মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ উল্লেখ করে বলেন, একটি থানার সিংহভাগ মূল দায়িত্বই পালন করেন এএসআইরা। অথচ সেই তুলনায় তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা ও আর্থিক বরাদ্দ অত্যন্ত সীমিত।তথ্যে উঠে আসা মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র:৭৫% ওয়ারেন্ট তামিল: থানার মোট ওয়ারেন্টের প্রায় ৭৫ শতাংশই এককভাবে তামিল করেন একজন এএসআই।মাদক ও অপরাধের তথ্য সংগ্রহ: মাদক নির্মূল এবং অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে সিংহভাগ প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (ইনফরমেশন) সংগ্রহ করেন মাঠ পর্যায়ের এএসআইরা।নোটিশ জারি: থানায় আসা বিভিন্ন প্রকার নোটিশ জারির যাবতীয় কাজও তাদের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।কাজের অতিরিক্ত চাপ: শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক মামলা তদন্তের ক্ষমতা না থাকলেও, তদন্তের দোহাই দিয়ে অন্যান্য সমস্ত প্রকার অতিরিক্ত ও কঠোর পরিশ্রমের কাজ এই এএসআইদের ওপরেই চাপিয়ে দেওয়া হয়।আর্থিক বৈষম্য ও ক্ষোভ:বক্তব্যে মাঠ পর্যায়ের এই কঠোর পরিশ্রমের পেছনে থাকা আর্থিক সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়। বলা হয়, মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গেলে প্রতিনিয়ত যে ধরনের যাতায়াত ও আনুষঙ্গিক খরচ হয়, তার জন্য এএসআইদের কোনো অতিরিক্ত বা বিশেষ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয় না। ফলে প্রশ্ন ওঠে— এই সমস্ত অফিশিয়াল কাজ করতে গিয়ে যে পরিমাণ মাঠ পর্যায়ের খরচ হয়, তা আসবে কোথা থেকে?সুপারিশ ও দাবি:পুলিশ সদরদপ্তরে পেশ করা নতুন উদ্যোগ ও প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে হলে মাঠ পর্যায়ের আসল চালিকাশক্তি এসআই এবং এএসআই— উভয়েরই সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা ও অধিকারের দিকে সুদৃষ্টি দিতে হবে। তাদের যৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা এবং কাজের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।মাহবুব স্যারের নামটি ক্যাপশনে মেনশন করে দিও শিরোনামেমাহবুব স্যারের নামটি শিরোনামে যুক্ত করে নিউজ রিপোর্টটি পুনর্লিখন করা হলো:মাঠ পর্যায়ের আসল নায়ক এএসআই ও এসআইরা: বৈষম্য দূর করতে মাহবুব স্যারের আহ্বানঢাকা, ২২ মে ২০২৬: থানা পুলিশের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও মাঠ পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তারা। সম্প্রতি পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের এক সভায় মাঠ পর্যায়ের এই কর্মকর্তাদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোরালো দাবি জানিয়েছেন পুলিশের দক্ষ কর্মকর্তা মাহবুব স্যার।তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিবেদিতপ্রাণ উল্লেখ করে বলেন, একটি থানার সিংহভাগ মূল দায়িত্বই পালন করেন এএসআইরা। অথচ সেই তুলনায় তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা ও আর্থিক বরাদ্দ অত্যন্ত সীমিত।তথ্যে উঠে আসা মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্র:৭৫% ওয়ারেন্ট তামিল: থানার মোট ওয়ারেন্টের প্রায় ৭৫ শতাংশই এককভাবে তামিল করেন একজন এএসআই।মাদক ও অপরাধের তথ্য সংগ্রহ: মাদক নির্মূল এবং অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে সিংহভাগ প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (ইনফরমেশন) সংগ্রহ করেন মাঠ পর্যায়ের এএসআইরা।নোটিশ জারি: থানায় আসা বিভিন্ন প্রকার নোটিশ জারির যাবতীয় কাজও তাদের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।কাজের অতিরিক্ত চাপ: শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক মামলা তদন্তের ক্ষমতা না থাকলেও, তদন্তের দোহাই দিয়ে অন্যান্য সমস্ত প্রকার অতিরিক্ত ও কঠোর পরিশ্রমের কাজ এই এএসআইদের ওপরেই চাপিয়ে দেওয়া হয়।আর্থিক বৈষম্য ও ক্ষোভ:মাহবুব স্যার তার বক্তব্যে মাঠ পর্যায়ের এই কঠোর পরিশ্রমের পেছনে থাকা আর্থিক সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গেলে প্রতিনিয়ত যে ধরনের যাতায়াত ও আনুষঙ্গিক খরচ হয়, তার জন্য এএসআইদের কোনো অতিরিক্ত বা বিশেষ আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয় না। ফলে প্রশ্ন ওঠে— এই সমস্ত অফিশিয়াল কাজ করতে গিয়ে যে পরিমাণ মাঠ পর্যায়ের খরচ হয়, তা আসবে কোথা থেকে?সুপারিশ ও দাবি:পুলিশ সদরদপ্তরে পেশ করা নতুন উদ্যোগ ও প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পুলিশ বাহিনীকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে হলে মাঠ পর্যায়ের আসল চালিকাশক্তি এসআই এবং এএসআই— উভয়েরই সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা ও অধিকারের দিকে সুদৃষ্টি দিতে হবে। মাহবুব স্যারের মতো দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এই আহ্বান মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
