চট্টগ্রামের নতুন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে মাসুদ আলমের দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে মাত্রার অতিরঞ্জিত প্রচারণা চলছে, তা নিয়ে জনমনে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।সচেতন মহলের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার স্বাভাবিক পদায়নকে কেন্দ্র করে যেভাবে অযথা “হাইপ” তৈরি করা হচ্ছে, তা প্রশাসনিক বাস্তবতা ও পেশাগত দায়িত্ববোধকে ছোট করে দেখানোর শামিল।অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, একজন এসপির বদলি বা নতুন দায়িত্ব গ্রহণ কি এত বড় কোনো অর্জন, নাকি এটি প্রশাসনের নিয়মিত প্রক্রিয়া মাত্র? একই সময়ে ডিসি বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ থাকলেও শুধু একটি নির্দিষ্ট নিয়োগকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত প্রচারণা চালানোকে তারা ‘মিডিয়া লাফালাফি’ হিসেবে অভিহিত করছেন।সমালোচকদের আরও অভিযোগ, এ ধরনের অতিরঞ্জিত উপস্থাপন জনসেবার মূল উদ্দেশ্যকে আড়াল করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারণাকে উৎসাহিত করছে। এতে প্রকৃত যোগ্যতা, মাঠপর্যায়ের কাজ এবং দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।এছাড়া একটি অংশ মনে করছে, চট্টগ্রামের মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলায় দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা আরও গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন ছিল। তাদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে শান্ত বা কম জটিল প্রশাসনিক এলাকায় পদায়ন হলে ভালো হতো—যেমন পার্বত্য জেলার খাগড়াছড়ি।শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা একটাই—প্রচারণা নয়, মাঠপর্যায়ে কার্যকর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হোক মূল দায়িত্ব।
