দেশের বিভিন্ন থানায় আবারও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের ওসি হিসেবে পদায়নের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন করে ওসি নিয়োগে প্রভাব ও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে এই পদায়ন কার্যক্রম চলছে।সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেসব ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তাদের মধ্য থেকেই অনেককে আবার গুরুত্বপূর্ণ থানায় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম রেঞ্জে বেশি পদায়ন হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি ওসি পদায়নের ক্ষেত্রে মোটা অংকের টাকা লেনদেন হচ্ছে এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই প্রক্রিয়ায় জড়িত। মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সুপারিশে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।কুমিল্লা, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলায় একাধিক থানায় বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পদায়ন নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বনানী ও মতিঝিল থানার ওসি নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এদিকে, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও প্রভাব খাটানোর বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে।বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওসি পদায়নে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। অতীতে বঞ্চিত ও সৎ কর্মকর্তাদের মূল্যায়নেরও দাবি জানানো হয়েছে।সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা-সমালোচনা বাড়ছে, আর প্রশ্ন উঠছে—ওসি পদায়নে কি সত্যিই স্বচ্ছতা নিশ্চিত হচ্ছে?
