রাজধানীতে প্রায় ১৬ হাজার পুলিশ ও র্যাব সদস্যের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে। নগরবাসীর মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল, চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনবহুল এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দিনের বেলাতেই ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে, আর রাতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে অলিগলি ও কম আলোকিত এলাকায় চোর-ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।নগরবাসীর মতে, শুধু সংখ্যায় বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করলেই হবে না—প্রয়োজন কার্যকর তদারকি, জবাবদিহিতা এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি। অনেকেই অভিযোগ করছেন, কিছু ক্ষেত্রে দায়িত্বে অবহেলা ও সমন্বয়হীনতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি (সিসিটিভি, ডাটা অ্যানালাইসিস), কমিউনিটি পুলিশিং এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে এই পরিস্থিতির উন্নতি কঠিন হবে।এদিকে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—এত বিপুল সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন থাকার পরও যদি রাজধানীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে দায়ভার কে নেবে?পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।
