দুই সপ্তাহ ধরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ শূন্য থাকায় সংস্থার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। সূত্রগুলো জানায়, এই সময়ের মধ্যে শতাধিক মামলার অনুমোদন আটকে রয়েছে, যার ফলে বহু গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিলম্বিত হচ্ছে।দুদকের অভ্যন্তরীণ সূত্র মতে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা বা অভিযোগের পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া এই অবস্থায় সম্ভব হচ্ছে না। কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, কমিশন না থাকায় সংস্থার কাজকর্মে “তীব্র ভাঁজ” তৈরি হয়েছে।অপরদিকে, সংস্থার ভবিষ্যৎ কার্যক্রম কীভাবে পরিচালনা করা হবে তা নিয়েও চলেছে তত্ত্বাবধায়ক পর্যায়ের আলোচনা। সরকারি সূত্রের মতে, দুদক অধ্যাদেশের মাধ্যমে কাজ চালাতে পারবে নাকি আগের আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণের জন্য পর্যবেক্ষণ চলছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, দুদক যেমন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা দেশের স্বচ্ছতা ও দমন কার্যক্রমের জন্য, তাই চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ শূন্য থাকা অনেক মামলার প্রক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী বিলম্বে পড়তে পারে।
