ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন আটি বাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, মধ্যরাতে প্রবাসী রবিন ও তার স্ত্রী তানহা তানজুককে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া, অবৈধভাবে আটক রাখা এবং মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের মাধ্যমে ভয়ভীতি সৃষ্টি করার মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন তিনি।ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জানুয়ারি গভীর রাতে এসআই জহির প্রবাসী রবিনকে পাসপোর্টসহ আটক করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান। এ সময় তার স্ত্রীকেও সঙ্গে নেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, কোনো লিখিত অভিযোগ বা আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রবিনকে মুক্তি দেওয়া হলেও তার স্ত্রীকে ফাঁড়িতে রেখে দেওয়া হয়।পরবর্তীতে রবিনের বাসায় খবর পাঠানো হয় যে, আরও টাকা দিতে হবে তবেই স্ত্রীকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। হুমকির মধ্য দিয়ে বলা হয়, নির্ধারিত অর্থ না দিলে স্ত্রী আর ফিরবে না।ভুক্তভোগী রবিন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ দায়েরের পর থেকে পরিস্থিতি নতুন মোড় নিয়েছে বলে পরিবারের দাবি। অভিযোগ দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এসআই জহির ঘুষ হিসেবে নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য তৎপর হয়ে ওঠেন।পরিবারের এই অভিযোগ দেশজুড়ে নিরাপত্তাহীনতার এবং প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তাদের অপব্যবহারের প্রমাণ হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
