জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক জাহাজ ভিড়ছে। ইতোমধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে ৬টি জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে এবং আরও দুটি জাহাজ আসার পথে রয়েছে।কাতার থেকে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। এছাড়া যুদ্ধ শুরুর আগমুহূর্তে ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি নিয়ে ‘জিওয়াইএমএম’ নামে আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছায়।রোববার (৮ মার্চ) ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ নামে আরও একটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এ তিন জাহাজে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টনের বেশি এলএনজি রয়েছে।জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করায় এসব জাহাজের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে কোনো বাধা নেই।এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, সরবরাহ সংকট এড়াতে সরকার খোলাবাজার থেকেও বেশি দামে দুই জাহাজ এলএনজি কিনেছে। সেগুলোও শিগগির দেশে পৌঁছাবে। তাই জ্বালানি তেল ও গ্যাস নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত মজুত না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পরিস্থিতি বিবেচনায় সবাইকে সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।
