ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে—এমন আশঙ্কা থেকে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।এক বার্তায় মন্ত্রণালয় জানায়, বিভিন্ন সম্ভাব্য উৎস থেকে নির্ধারিত সময় ও পরিমাণে জ্বালানি সরবরাহ বর্তমানে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে কিংবা সরবরাহ ব্যবস্থায় সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এর প্রভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সার উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তবে পবিত্র মাহে রমজানে জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবে বলে জানানো হয়েছে।পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার সীমিত করে গণপরিবহন ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় রোধে সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহারের আহ্বান জানানো হয়।এ ছাড়া বার্তায় খোলাবাজারে ডিজেল ও পেট্রল বিক্রি বন্ধ রাখতে ব্যবসায়ী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে কঠোরভাবে তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি পাচার রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
