ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর জরুরি বৈঠকে বসেছে ইউনাইটেড ন্যাশন সিকিউরিটি কাউন্সিল। বৈঠকের শুরুতেই United Nations–এর মহাসচিব António Guterres হামলাকে স্পষ্ট আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, বর্তমান উত্তেজনা যে কোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এবং তা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।ইরানের রাষ্ট্রদূত Amir Saeid Iravani হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, আগ্রাসন বন্ধ না হলে ইরান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোকে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Mike Waltz দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাই এই পদক্ষেপের কারণ এবং এতে কোনো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হয়নি। ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত Danny Danon বলেন, হুমকি অব্যাহত থাকলে যৌথ অভিযানও চলবে।বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক মহল দ্রুত সংলাপ ও উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানালেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সমাধান সামনে আসেনি।
