স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সগুলো পর্যালোচনা করা হবে। এই যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে দেখা হবে: লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে দেওয়া হয়েছে কি না, এবং লাইসেন্সধারীরা যোগ্য কি না।যাদের লাইসেন্স যথাযথভাবে দেওয়া হয়েছে, তাদের লাইসেন্স বজায় থাকবে। অপরদিকে, যারা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে বা ভুল প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স পেয়েছে, তাদের লাইসেন্স বাতিল ও অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে।ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র জমা পড়েনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে জমা না দেওয়া এসব বৈধ অস্ত্র এখন আইনত ‘অবৈধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে, এবং উদ্ধারের ব্যবস্থা বা মামলা করা যেতে পারে।মন্ত্রণালয়কে বর্তমানে কত লাইসেন্স ও কত অস্ত্র আছে, তার পরিসংখ্যান তৈরি করতে বলা হয়েছে।
