আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পাসপোর্ট অধিদপ্তরে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচিত কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘টাকার কুমির’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হচ্ছে।অভিযোগ রয়েছে, বিগত সময়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা প্রভাবশালী অবস্থানে থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। ঘুষ গ্রহণ, দালাল চক্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নিয়োগ ও বদলিতে বাণিজ্য—এসব অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় ছিল।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, পাসপোর্ট সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হতো। দালালদের মাধ্যমে দ্রুত পাসপোর্ট সরবরাহের নামে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি নিয়োগ ও পদোন্নতিতেও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সামনে এসেছে।তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হলে পাসপোর্ট সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
