বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে সহিংসতা, কারচুপি কিংবা স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠায় বিভিন্ন সময় ভোটগ্রহণ স্থগিত বা বাতিল করার নজির রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট বন্ধের বিধান রয়েছে আরপিও’র ৯১(ক) ধারায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রথম প্রণীত এই আইন সময় সময় সংশোধিত হয়েছে। সর্বশেষ সংশোধনী আনা হয় ২০২৫ সালে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে। এর আগে ২০২৩ সালেও সংশোধন করা হয়।বর্তমান আইন অনুযায়ী—কোনো ভোটকেন্দ্রে বড় ধরনের অনিয়ম, কারসাজি বা ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলেসহিংসতা বা জালিয়াতির ঘটনা ঘটলেভোটের স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হলেসেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন ওই কেন্দ্রের ভোট বা ফলাফল বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।তবে আইন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন পুরো একটি সংসদীয় আসনের নির্বাচন বাতিল করার ক্ষমতা রাখে না। কেবল সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত বা পুনঃভোটের সিদ্ধান্ত দিতে পারে।
